বর না এলে কী হবে, কনে পালালেই বিয়ে ভেঙে যায়!
কালকিনিতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করলেন ম্যাজিস্ট্রেট
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন (সাজানো আকারে):
মাদারীপুরের কালকিনিতে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২৯ জুন) কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের পূর্ব আলীপুর গ্রামে।
১৪ বছর বয়সী লামিয়া আক্তারের (পিতা: রেজাউল আকন) সঙ্গে পাশের চর আলীপুর গ্রামের এক যুবকের বিয়ের আয়োজন চলছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালকিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন কালকিনি থানা পুলিশের সদস্যরা।
জন্মনিবন্ধন যাচাই করে মেয়েটির বয়স মাত্র ১৪ বছর নিশ্চিত হলে আদালত বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। তবে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কনের পরিবারের লোকজন কনেসহ বিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে বরপক্ষও আর আসেনি।
বাল্যবিবাহের আয়োজন করায় কনের ফুপা হালান সরদারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মেয়ের পরিবারকে মুচলেকা দিয়ে সতর্ক করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা ইসলাম বলেন, “বর ও কনের পরিবার দু’পক্ষই সমানভাবে অপরাধ করেছে। বরপক্ষকে পাওয়া না গেলেও, কনের পরিবারকে আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের নজরদারি আগামীতেও চলবে।”










