বরগুনায় সরকারি লাইসেন্সে চাঁদাবাজি—জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের
বরগুনায় সরকারি লাইসেন্সে চাঁদাবাজি—জুলুমের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের
বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনায় খেয়াঘাট, বাজার ও পরিবহন খাতে সরকারি লাইসেন্সের নামে চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, “যেখানে আগে খেয়া পারাপারে জনপ্রতি ভাড়া ছিল ২০ টাকা, এখন তা বেড়ে হয়েছে ২৫ টাকা। অথচ প্রকৃত ভাড়া ১০-১৫ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।”
তিনি অভিযোগ করেন, বরগুনা শহরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হচ্ছে। সিমেন্টের প্রতি ব্যাগে ২ টাকা, প্রতি সিএফটি বালিতে ১ টাকা, এমনকি আমের ঝুড়িতেও ৩০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে। এসব অনৈতিক আদায়কে তিনি ‘সরকারি খয়রাত’ হিসেবে আখ্যা দেন এবং প্রশ্ন তোলেন, “সরকারের এত খিদা কেন?”
বিবৃতিতে বলা হয়, “এইসব কার্যক্রম এখন বৈধতা পাচ্ছে সরকারি লাইসেন্সের মাধ্যমে এবং তা বাস্তবায়ন করছে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। সাধারণ মানুষের কথা বলার বা প্রতিবাদের সুযোগ নেই। বরং প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এসব চলছে।”
মুফতি মিজান অভিযোগ করেন, ডিসি মহোদয়কে ফোনে এসব অবহিত করা হলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তিনি বলেন, “শ্রমিক দিবসে শ্রমিকদের অধিকারের কথা বলা হয়, অথচ একজন শ্রমিককেও যদি খেয়া পারাপারে ৫০ টাকা খরচ করতে হয়, তাহলে তা আর অধিকার কোথায়?”
তিনি আরও বলেন, “সরকারি মিটিংগুলোতে সাধারণ মানুষের বা ভিন্নমতের কোনো আওয়াজ শোনা যায় না। যেন একটি দল দেশ চালাতে এসে অন্য দলকে ইজারা দিয়েছে।”
শেষে তিনি আহ্বান জানান, “এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের রাস্তায় নামতে হবে। থেমে থাকার সময় নয়। সাধারণ মানুষের পক্ষে লড়াই করতে হবে। ইনশাআল্লাহ বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে পর্ব আকারে প্রকাশ করা হবে।”

