জামায়াত-ইমিগ্রেশন যোগসাজশে হামিদের থাইল্যান্ড যাত্রা: রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

ah.db
আপডেট: 9 May 2025, 9:35 am

ক্যান্সারের চিকিৎসার অনুমতি নিয়ে আবদুল হামিদের বিদেশযাত্রা: মূল ভূমিকায় কর্নেল (অব.) জিহাদ ও ইমিগ্রেশন ডিআইজি মোয়াজ্জেম

 

বিশেষ প্রতিবেদন | নাজমুস সাকিব | ৯ মে ২০২৫

- বিজ্ঞাপন -

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের থাইল্যান্ডে চিকিৎসার জন্য বিদেশযাত্রার অনুমতি পেতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন তার শ্যালক, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের জামায়াত নেতা কর্নেল (অব.) জিহাদ খান এবং ইমিগ্রেশন পুলিশের ডিআইজি মোয়াজ্জেম হোসেন। তবে এই অনুমতির পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী ডক্টর ইউনূস, যার অনুমতি ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত কার্যত সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন অনেকে।

 

- বিজ্ঞাপন -

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আবদুল হামিদ বর্তমানে স্টেজ ফোর ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং গত সাড়ে আট মাসে নিয়মিত কেমোথেরাপি না নেওয়ার কারণে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ডক্টর ইউনূসের কাছে আবেদন নিয়ে যান কর্নেল (অব.) জিহাদ।

 

অন্যদিকে বিমানবন্দরে কোনো জটিলতা না হয়, তা নিশ্চিত করেন ইমিগ্রেশন পুলিশের ডিআইজি, জামায়াতপন্থী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন। ফলে পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম এক পরিকল্পনার মাধ্যমে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে ‘সেফ এক্সিট’ দেওয়া হয়।

 

তবে এই ঘটনার আড়ালে তিনজন নিরাপরাধ পুলিশ কর্মকর্তা — হাছান চৌধুরী, তাহসিনা আরিফ ও সোলায়মান — কে অন্যায়ভাবে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরেও চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসমূহ:

 

রাষ্ট্রপ্রধান ডক্টর ইউনূসের কাছে প্রশ্ন: আবদুল হামিদের প্রতি এমন মানবিকতার কারণ কী?

 

কর্নেল (অব.) জিহাদ খানের কাছে প্রশ্ন: একদিকে আপনার দল রাজপথে আন্দোলন করে, অন্যদিকে আপনি ব্যক্তিগত স্বার্থে রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে ধরনা দেন— কেন এই দ্বিচারিতা?

 

ডিআইজি মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে প্রশ্ন: ফ্যাসিবাদের দোসরকে দেশ ছাড়তে সহায়তা করে, কেন নিরপরাধ তিনজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করানো হলো?

 

 

কার্টুন কার্টেসি: মেহেদী হক

আরও পড়ুন:
❤️64.7%
👏11.8%
😊5.9%
😢17.6%
মন্তব্য করতে সাইন-ইন করুন...