ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা দ্বিতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন বরিশাল

  • প্রকাশঃ ০৪:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৪৪ জন দেখেছেন

বিপিএলের ১১তম আসরের শিরোপা জিতল ফরচুন বরিশাল। টানটান উত্তেজানপূর্ণ ফাইনালে চিটাগং কিংসকে ৩ উইকেটে হারাল তামিম ইকবাল খানের দল। কুড়ি ওভারের ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এটা বরিশালের টানা দ্বিতীয় শিরোপা

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৯৪ রান জড়ো করে চিটাগং। জবাবে ৩ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় বরিশাল।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৮ রান দরকার ছিল বরিশালের। হোসেন তালাতের করা সে ওভারের প্রথম বলে ছয় মারেন রিশাদ। শেষ পর্যন্ত নাটকীয় কিছু না হওয়ায় শিরোপা উল্লাসে মাতে দক্ষিণের ফ্রাঞ্চাইজিটি। ৬ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন রিশাদ। বরিশালের হয়ে ২৯ বলে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন তামিম। ৪৬ রান আসে কাইল মায়ার্সের ব্যাট থেকে। ২৮ বল খেলেন এই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার। সমান বল খেলে ৩২ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। চিটাগংয়ের হয়ে ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।

এর আগে পারভেজ হোসেন ইমন, খাওয়াজা নাফের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বিশাল পুঁজি পায় চিটাগং। ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন প্রথমজন। ৪৯ বলে ৬ চারের পাশাপাশি ৪টি ছয় মারেন এই তরুণ ওপেনার। ৪৪ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৬ রানের ইনিংস খেলেন নাফে। উদ্বোধনী জুটিতে ১২১ রান তোলেন এই দুজন। এটা বিপিএলের ফাইনালে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।

ফিফটি না করতে পারলেও কোনো অংশে কম যাননি গ্রাহাম ক্লার্ক। সাজঘরে হাঁটার আগে ২৩ বলে ৪৪ রান করেন এই টপঅর্ডার। বরিশালের হয়ে এবাদত হোসেন ও মোহাম্মদ আলি একটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

চিটাগং কিংস : ১৯৪/৩ (২০ ওভার); পারভেজ হোসেন ইমন ৭৮*, খাওয়াজা নাফে ৬৬, গ্রাহাম ক্লার্ক ৪৪; মোহাম্মদ আলি ১/২১ ও এবাদত হোসেন ১/৩৫।

ফরচুন বরিশাল : ১৯৫/৭ (১৯.৩ ওভার); তামিম ইকবাল ৫৪, কাইল মায়ার্স ৪৬, তাওহিদ হৃদয় ৩২, রিশাদ হোসেন ১৮*; শরিফুল ইসলাম ৪/৩৪ ও নাঈম ইসলাম ২/১৮।

ফল: ফরচুন বরিশাল ৩ উইকেটে জয়ী।

ট্যাগ
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-2680215667423951"
     crossorigin="anonymous"></script>

ক্যারিশমাটিক লিডার ‘মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ’

টানা দ্বিতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন বরিশাল

প্রকাশঃ ০৪:৫৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিপিএলের ১১তম আসরের শিরোপা জিতল ফরচুন বরিশাল। টানটান উত্তেজানপূর্ণ ফাইনালে চিটাগং কিংসকে ৩ উইকেটে হারাল তামিম ইকবাল খানের দল। কুড়ি ওভারের ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে এটা বরিশালের টানা দ্বিতীয় শিরোপা

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৯৪ রান জড়ো করে চিটাগং। জবাবে ৩ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় বরিশাল।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৮ রান দরকার ছিল বরিশালের। হোসেন তালাতের করা সে ওভারের প্রথম বলে ছয় মারেন রিশাদ। শেষ পর্যন্ত নাটকীয় কিছু না হওয়ায় শিরোপা উল্লাসে মাতে দক্ষিণের ফ্রাঞ্চাইজিটি। ৬ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন রিশাদ। বরিশালের হয়ে ২৯ বলে সর্বোচ্চ ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন তামিম। ৪৬ রান আসে কাইল মায়ার্সের ব্যাট থেকে। ২৮ বল খেলেন এই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার। সমান বল খেলে ৩২ রান করেন তাওহীদ হৃদয়। চিটাগংয়ের হয়ে ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।

এর আগে পারভেজ হোসেন ইমন, খাওয়াজা নাফের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বিশাল পুঁজি পায় চিটাগং। ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন প্রথমজন। ৪৯ বলে ৬ চারের পাশাপাশি ৪টি ছয় মারেন এই তরুণ ওপেনার। ৪৪ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৬ রানের ইনিংস খেলেন নাফে। উদ্বোধনী জুটিতে ১২১ রান তোলেন এই দুজন। এটা বিপিএলের ফাইনালে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।

ফিফটি না করতে পারলেও কোনো অংশে কম যাননি গ্রাহাম ক্লার্ক। সাজঘরে হাঁটার আগে ২৩ বলে ৪৪ রান করেন এই টপঅর্ডার। বরিশালের হয়ে এবাদত হোসেন ও মোহাম্মদ আলি একটি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

চিটাগং কিংস : ১৯৪/৩ (২০ ওভার); পারভেজ হোসেন ইমন ৭৮*, খাওয়াজা নাফে ৬৬, গ্রাহাম ক্লার্ক ৪৪; মোহাম্মদ আলি ১/২১ ও এবাদত হোসেন ১/৩৫।

ফরচুন বরিশাল : ১৯৫/৭ (১৯.৩ ওভার); তামিম ইকবাল ৫৪, কাইল মায়ার্স ৪৬, তাওহিদ হৃদয় ৩২, রিশাদ হোসেন ১৮*; শরিফুল ইসলাম ৪/৩৪ ও নাঈম ইসলাম ২/১৮।

ফল: ফরচুন বরিশাল ৩ উইকেটে জয়ী।