ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক সেমিস্টারে তিন মাসের খরচ দেখিয়ে পাচার হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা: ড. মোহাম্মদ ইউনূস

  • প্রকাশঃ ০৪:৩০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • ৬৪৯ জন দেখেছেন

পতিত সরকারের আমলে টাকা পাচারের অভিনব উপায়ের কথা তুলে ধরলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

 

স্বাধীনতা দিবস ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “পলাতক সরকারের আমলে চর দখলের মতো দেশের ব্যাংকগুলো দখল করে নেয়া হয়েছিল। আমানতকারীর টাকাকে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত টাকায় রূপান্তরিত করে ফেলেছিল।”

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, টাকা পাচারের একটি পদ্ধতি ছিল যা দেখে আমরা অবাক হয়ে গেছি; এই পাচার হয়েছে বিদেশে অধ্যয়নরত সন্তানের কাছে টাকা পাঠানোর নামে। একজনে সন্তানের লেখাপড়ার জন্য এক সেমিস্টারের অর্থাৎ তিন মাসের খরচ বাবত অফিশিয়াল ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠিয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

 

প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, পাচারের এর চাইতে বেশি তাক লাগানো পন্থা আর কিছু আছে? “প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, “তার কোনো সীমা আছে বলে আমার মনে হয় না। আইন, নিয়ম, নীতির জায়গায় যখন হরিলুট প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এমন সবকিছুই সম্ভব।”

 

 

তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম কাজ ছিল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনা। আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষা করে নিয়ম শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। হিসাবপত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপন করা। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা প্রতিষ্ঠা করা গেছে। এর ফলে অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গুলোর মধ্যে এটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

 

:- এইচ এম আহমাদুল্লাহ্

ট্যাগ
অধিক পঠিত
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-2680215667423951"
     crossorigin="anonymous"></script>

ক্যারিশমাটিক লিডার ‘মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ’

এক সেমিস্টারে তিন মাসের খরচ দেখিয়ে পাচার হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা: ড. মোহাম্মদ ইউনূস

প্রকাশঃ ০৪:৩০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

পতিত সরকারের আমলে টাকা পাচারের অভিনব উপায়ের কথা তুলে ধরলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

 

স্বাধীনতা দিবস ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “পলাতক সরকারের আমলে চর দখলের মতো দেশের ব্যাংকগুলো দখল করে নেয়া হয়েছিল। আমানতকারীর টাকাকে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত টাকায় রূপান্তরিত করে ফেলেছিল।”

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, টাকা পাচারের একটি পদ্ধতি ছিল যা দেখে আমরা অবাক হয়ে গেছি; এই পাচার হয়েছে বিদেশে অধ্যয়নরত সন্তানের কাছে টাকা পাঠানোর নামে। একজনে সন্তানের লেখাপড়ার জন্য এক সেমিস্টারের অর্থাৎ তিন মাসের খরচ বাবত অফিশিয়াল ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠিয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

 

প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, পাচারের এর চাইতে বেশি তাক লাগানো পন্থা আর কিছু আছে? “প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, “তার কোনো সীমা আছে বলে আমার মনে হয় না। আইন, নিয়ম, নীতির জায়গায় যখন হরিলুট প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এমন সবকিছুই সম্ভব।”

 

 

তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম কাজ ছিল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনা। আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষা করে নিয়ম শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। হিসাবপত্রে বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপন করা। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা প্রতিষ্ঠা করা গেছে। এর ফলে অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের গুলোর মধ্যে এটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

 

:- এইচ এম আহমাদুল্লাহ্