বরগুনায় ২৬ মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫’ এবং ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান।
বরগুনা প্রতিনিধি:- ৩০ এপ্রিল ২০২৫: আজ বিকাল ৪ টায় জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫’ এবং ‘পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষ্যে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব অনিমেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), বরগুনা। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে সৃজনশীলতা এবং আত্মবিজ্ঞপ্তি বিকাশের সুযোগ প্রদান করা হয়। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের গুরুত্ব এবং বাংলার নতুন বছরের সর্বজনীন উৎসব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও এই আয়োজনের একটি অন্যতম লক্ষ্য।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব পারভীন বেগম, প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত), বরগুনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। তিনি বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “কাহিনী লেখার এবং চিত্রাঙ্কনের মতো সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আপনারা নিজেদের প্রতিভা প্রকাশ করেছেন। এটি আপনারা ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে।”

সভাপতির বক্তব্যে জনাব মোঃ দেলুয়ার হোসেন, লাইব্রেরিয়ান, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার, বলেন, “বিজয়ী ছাত্রছাত্রীদের উৎসর্গিত পুরস্কার এবং সনদগুলো শুধু তাদের সম্মানিত করছে না, পাশাপাশি তারা যেভাবে আগামী দিনের নাগরিক হিসেবে দায়িত্বশীল এবং সংস্কৃতিমনা হয়ে উঠবে, তার এক ধরনের স্বীকৃতি। এটি তাদের জন্য একটি উৎসাহের বিষয়।”
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহের সাথে উপস্থিত ছিলেন। রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা তাদের সৃজনশীল কাজের জন্য পুরস্কার ও সনদ গ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের কাজের মধ্যে দেশপ্রেম, বাংলার ঐতিহ্য, এবং পহেলা বৈশাখের বিভিন্ন অদ্ভুত প্রতিচ্ছবি উঠে এসেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে ছিল আনন্দ উচ্ছ্বাসের লক্ষণ। বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা বলেন, “আমরা দেখি, আমাদের ছাত্রীরা এক্ষণে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছে এবং তাদের সৃজনশীলতা ও প্রতিভা প্রকাশ করতে পারছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের।”
অনুষ্ঠানের শেষে সবাইকে বিশুদ্ধ বাংলায় লেখালেখির প্রতি উৎসাহিত করে ‘বাংলা নববর্ষ’ এবং ‘মহান স্বাধীনতা দিবস’ এ উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। এটি একটি অবিস্মরণীয় দিন হিসেবে শিক্ষার্থীদের মনে থাকবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে প্রতিভার বিকাশে সাহায্য করবে।










