ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ঐক্যই এখন একমাত্র পথ — পল্টনে শীর্ষ আলেমদের বার্তা।

  • প্রকাশঃ ০৪:২০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • ৩৭২ জন দেখেছেন

গোষ্ঠিগত বিরোধ নয়, এখন দরকার জাতীয় ঐক্য—পল্টনে মতবিনিময় সভায় শীর্ষ আলেম ও বিশিষ্টজনদের আহ্বান

“গোষ্ঠি স্বার্থে পরস্পর বিরোধে জড়ালে সকলেরই ধ্বংস অনিবার্য”

বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ

জাতীয় প্রতিনিধি:

রাজধানীর পল্টনের বিএমএ মিলনায়তনে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষ আলেম, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেছেন— “গোষ্ঠিগত স্বার্থে পরস্পর বিরোধে জড়ালে সকলের জন্যই ধ্বংস অনিবার্য। এখন সময় একতার, বিভক্তির নয়। জাতীয় ঐক্য ছাড়া এই সংকটকালীন সময়ে কোনো পথ নেই।”

 

শনিবার (২৪ মে) অনুষ্ঠিত “আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্য: উলামায়ে কেরাম ও তাওহীদি জনতার করণীয়” শীর্ষক সভায় তারা বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশের মানুষ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পেয়েছে, যা ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ফসল। কিন্তু বিভিন্ন গোষ্ঠি নিজেদের স্বার্থে এই সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে, যা জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ।”

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী।

সভায় গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবসমূহের মধ্যে রয়েছে:

১. গোষ্ঠিগত ও দলীয় স্বার্থ পরিহার করে আন্তরিক জাতীয় ঐক্য গঠন।

২. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি অহেতুক চাপ সৃষ্টি না করে দায়িত্বশীল সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।

৩. বিচার, নির্বাচন ও সংস্কার প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষ ও প্রশ্নাতীতভাবে সম্পন্ন করা।

৪. বিতর্কিত উপদেষ্টা ও কমিশন সদস্যদের অপসারণ করে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

৫. চট্টগ্রাম বন্দর, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বপক্ষীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

 

বক্তারা আরও বলেন, “এখন যদি বিভক্তি ও হঠকারী রাজনীতির পথে কেউ যায়, তবে দেশের অর্জিত বিজয় ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ও বিবেকবান ভূমিকা রাখতে হবে।”

 

সভায় আলোচনায় অংশ নেন:

সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা জালাল উদ্দীন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ড. শফিকুল ইসলাম মাসউদ, ড. ফয়জুল হক, অধ্যক্ষ মোশাররফ হোছাইন, মাওলানা সানাউল্লাহ খান, মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার, মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ, মাওলানা মোহাম্মদ আলী ফেনী, মাওলানা হানযালা, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা মীর হুসাইন, মাওলানা ছানা উল্লাহ বিজয়নগর ও মাওলানা মাহবুবুর রহমান আশরাফি প্রমুখ।

ট্যাগ
অধিক পঠিত
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-2680215667423951"
     crossorigin="anonymous"></script>

ক্যারিশমাটিক লিডার ‘মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ’

জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ঐক্যই এখন একমাত্র পথ — পল্টনে শীর্ষ আলেমদের বার্তা।

প্রকাশঃ ০৪:২০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

গোষ্ঠিগত বিরোধ নয়, এখন দরকার জাতীয় ঐক্য—পল্টনে মতবিনিময় সভায় শীর্ষ আলেম ও বিশিষ্টজনদের আহ্বান

“গোষ্ঠি স্বার্থে পরস্পর বিরোধে জড়ালে সকলেরই ধ্বংস অনিবার্য”

বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ

জাতীয় প্রতিনিধি:

রাজধানীর পল্টনের বিএমএ মিলনায়তনে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দেশের শীর্ষ আলেম, বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেছেন— “গোষ্ঠিগত স্বার্থে পরস্পর বিরোধে জড়ালে সকলের জন্যই ধ্বংস অনিবার্য। এখন সময় একতার, বিভক্তির নয়। জাতীয় ঐক্য ছাড়া এই সংকটকালীন সময়ে কোনো পথ নেই।”

 

শনিবার (২৪ মে) অনুষ্ঠিত “আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্য: উলামায়ে কেরাম ও তাওহীদি জনতার করণীয়” শীর্ষক সভায় তারা বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশের মানুষ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পেয়েছে, যা ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের ফসল। কিন্তু বিভিন্ন গোষ্ঠি নিজেদের স্বার্থে এই সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে, যা জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ।”

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী।

সভায় গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবসমূহের মধ্যে রয়েছে:

১. গোষ্ঠিগত ও দলীয় স্বার্থ পরিহার করে আন্তরিক জাতীয় ঐক্য গঠন।

২. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি অহেতুক চাপ সৃষ্টি না করে দায়িত্বশীল সহযোগিতা অব্যাহত রাখা।

৩. বিচার, নির্বাচন ও সংস্কার প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষ ও প্রশ্নাতীতভাবে সম্পন্ন করা।

৪. বিতর্কিত উপদেষ্টা ও কমিশন সদস্যদের অপসারণ করে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

৫. চট্টগ্রাম বন্দর, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বপক্ষীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

 

বক্তারা আরও বলেন, “এখন যদি বিভক্তি ও হঠকারী রাজনীতির পথে কেউ যায়, তবে দেশের অর্জিত বিজয় ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ও বিবেকবান ভূমিকা রাখতে হবে।”

 

সভায় আলোচনায় অংশ নেন:

সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা জালাল উদ্দীন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ড. শফিকুল ইসলাম মাসউদ, ড. ফয়জুল হক, অধ্যক্ষ মোশাররফ হোছাইন, মাওলানা সানাউল্লাহ খান, মুফতি আবদুল্লাহ মাসুম, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার, মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ, মাওলানা মোহাম্মদ আলী ফেনী, মাওলানা হানযালা, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা মীর হুসাইন, মাওলানা ছানা উল্লাহ বিজয়নগর ও মাওলানা মাহবুবুর রহমান আশরাফি প্রমুখ।