ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চায়ের দোকানে বসে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ‘হস্তান্তর’! জোরপূর্বক স্বাক্ষরের অভিযোগে যুবদল নেতা তাপস খানের বিরুদ্ধে তোলপাড়।

  • প্রকাশঃ ০৪:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ১৯৩ জন দেখেছেন

চায়ের দোকানে বসে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ‘হস্তান্তর’! জোরপূর্বক স্বাক্ষরের অভিযোগে যুবদল নেতা তাপস খানের বিরুদ্ধে তোলপাড়

 

সংবাদ প্রতিবেদন:

বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম মিঠুর কাছ থেকে জোরপূর্বক দায়িত্বপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও যুবদল আহ্বায়ক ফিরোজ খান (তাপস) এর বিরুদ্ধে।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে আমতলী উপজেলা পরিষদ সড়কের পাশে শ্যামলের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ফিরোজ খান তার সমর্থকদের নিয়ে চেয়ারম্যান মিঠুকে চায়ের দোকানে অবরুদ্ধ করে জোর করে একটি দায়িত্বপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

 

চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, “তাপস খান গত ১৬ জুন থেকে আমাকে অফিসে যেতে দিচ্ছেন না। হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার আমাকে জোর করে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হয়। বলা হয়—‘হয় স্বাক্ষর দেন, না হলে থানায় চলেন।’ আমি ভয়ে স্বাক্ষর করি, কিন্তু চিঠিতে কী লেখা ছিল তাও পড়তে দেওয়া হয়নি।”

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্বপত্রে ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফিরোজ খানকে ১৯ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ আছে।

 

এদিকে অভিযুক্ত ফিরোজ খান (তাপস) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “চেয়ারম্যান অসুস্থ থাকায় আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।”

 

তবে কেন চায়ের দোকানে বসে দায়িত্ব দিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

চায়ের দোকানদার শ্যামল জানান, “চেয়ারম্যান আমার দোকানে বসা ছিলেন। কিছুক্ষণ পর তাপস খানসহ কয়েকজন এসে তার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর কী হয়েছে জানি না।”

 

উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক কবির ফকির জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আমতলী থানার ওসি আরিফুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান খান জানান, “দায়িত্ব হস্তান্তরের কোনো সরকারি চিঠি পাইনি। স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়ার অভিযোগ এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমতলীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগ
অধিক পঠিত
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-2680215667423951"
     crossorigin="anonymous"></script>

ক্যারিশমাটিক লিডার ‘মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ’

চায়ের দোকানে বসে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ‘হস্তান্তর’! জোরপূর্বক স্বাক্ষরের অভিযোগে যুবদল নেতা তাপস খানের বিরুদ্ধে তোলপাড়।

প্রকাশঃ ০৪:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

চায়ের দোকানে বসে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ‘হস্তান্তর’! জোরপূর্বক স্বাক্ষরের অভিযোগে যুবদল নেতা তাপস খানের বিরুদ্ধে তোলপাড়

 

সংবাদ প্রতিবেদন:

বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম মিঠুর কাছ থেকে জোরপূর্বক দায়িত্বপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও যুবদল আহ্বায়ক ফিরোজ খান (তাপস) এর বিরুদ্ধে।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে আমতলী উপজেলা পরিষদ সড়কের পাশে শ্যামলের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ফিরোজ খান তার সমর্থকদের নিয়ে চেয়ারম্যান মিঠুকে চায়ের দোকানে অবরুদ্ধ করে জোর করে একটি দায়িত্বপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

 

চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, “তাপস খান গত ১৬ জুন থেকে আমাকে অফিসে যেতে দিচ্ছেন না। হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার আমাকে জোর করে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হয়। বলা হয়—‘হয় স্বাক্ষর দেন, না হলে থানায় চলেন।’ আমি ভয়ে স্বাক্ষর করি, কিন্তু চিঠিতে কী লেখা ছিল তাও পড়তে দেওয়া হয়নি।”

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্বপত্রে ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফিরোজ খানকে ১৯ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ আছে।

 

এদিকে অভিযুক্ত ফিরোজ খান (তাপস) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “চেয়ারম্যান অসুস্থ থাকায় আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।”

 

তবে কেন চায়ের দোকানে বসে দায়িত্ব দিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

চায়ের দোকানদার শ্যামল জানান, “চেয়ারম্যান আমার দোকানে বসা ছিলেন। কিছুক্ষণ পর তাপস খানসহ কয়েকজন এসে তার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর কী হয়েছে জানি না।”

 

উপজেলা যুবদল আহ্বায়ক কবির ফকির জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আমতলী থানার ওসি আরিফুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান খান জানান, “দায়িত্ব হস্তান্তরের কোনো সরকারি চিঠি পাইনি। স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়ার অভিযোগ এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমতলীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।